Showing posts with label সক্রিয়তা. Show all posts
Showing posts with label সক্রিয়তা. Show all posts

Sunday, December 21, 2008

রয়েল সোসাইটির প্রকাশনা ডাউনলোড করুন

বিজ্ঞানমনস্ক পাঠকদের জন্য রয়েল সোসাইটি তাদের আর্কাইভ থেকে বেশ কিছু প্রকাশনা ডাউনলোড করার জন্য উন্মুক্ত করেছে। সাধারণ দর্শকরা আগামী ২০০৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই আর্কাইভ থেকে বিনামূল্যে বইগুলো সংগ্রহ করতে পারবেন। এখানে ক্লিক করে আপনার পছন্দের লেখা খুঁজুন।

জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, সাধারণ বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানের ইতিহাস বিষয়ে বেশ কিছু বই এই তালিকায় রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বই হলো:-
Read More ...

Tuesday, June 3, 2008

বর্ণান্ধতার পরীক্ষা

যাদের চোখে রং দেখার বা চেনার কোন সমস্যা নেই তারা নিচের ছবির সংখ্যাগুলি অনায়াসে স্পষ্ট দেখতে পাবে। কিন্তু কেউ যদি সংখ্যাগুলো দেখতে না পারে তাহলে তাকে বর্ণান্ধ না বলে উপায় থাকবে না। সাধারণ জীবন যাপনে এর কোন খারাপ প্রভাব নেই। তবে কিছু কিছু কাজ বা চাকুরি আছে যেগুলোতে এই ধরণের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদেরকে অযোগ্য বলে মনে করা হয়।
সাধারণত এশিয়ার ৪%-৬% মানুষ, ইউরোপে ৬%-৮% মানুষ এবং আফ্রিকার ২%-৪% মানুষের চোখে বর্ণচেনার সমস্যা রয়েছে।
এই পরীক্ষাটি নিজে নিজেই করা যায়। নীচের ছবিটি মনোযোগের সাথে লক্ষ্য করুন। প্রয়োজনবোধে ছবিটির উপর ক্লিক করে তাকে একটু বড় করে নিন। এবার দেখুনতো পাশে লেখা সংখ্যাটি বর্ণিল বিন্দুর গোলকের মধ্যে দেখতে পান কি না?

Read More ...

Monday, March 17, 2008

ওয়েলকাম কালেকশন


চিকিৎসাবিজ্ঞান, জীবন এবং শিল্পকে সাথী করে ওয়েলকাম কালেকশন গড়ে উঠেছে। মানবজীবনের বিভিন্ন অবস্থাকে আবিষ্কার করতে ওয়েলকাম কালেকশনের বিকল্প খুবই কম। ওয়েলকাম কালেকশন আসলে চিত্র প্রদর্শনী, বিভিন্ন সক্রিয়তা এবং পারস্পরিক আলোচনার একটি সংস্থা যেখানে মানবীয়তা বলতে কি বোঝায় তাই বিশ্লেষণ করা হয়।
স্যার হেনরী ওয়েলকাম এর স্বপ্ন ছিল এমন একটি জায়গার যেখানে মানুষ চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং মানুষের সুস্থ্যতা বিষয়ে মত বিনিময় করতে পারবে, ইতিহাসে ঔষধ এবং মানবজীবনের মধ্যে যে সম্পর্ক তা আবিষ্কার করতে পারবে।

এদের মূল অফিস রয়েছে মধ্য লন্ডনে।

কৃতজ্ঞতা: welcomecollection
Read More ...

Monday, February 11, 2008

সকলকে শুভেচ্ছা

আজ থেকে সন্ধিৎসু ব্লগ লেখা শুরু করলাম। জীবন, প্রকৃতি তথা বিজ্ঞানের স্বরূপ উন্মোচনের চেষ্টা থাকবে এই ব্লগে। বস্তুত বিজ্ঞানকে চিনতে সহায়তা করাই আমার উদ্দেশ্য। বিজ্ঞান কি, বিজ্ঞানের স্বরূপ কিরকম, বিজ্ঞানের সীমানা কতদূর কিংবা বিজ্ঞানের সামর্থ্যই বা কতটুকু ইত্যাদি বিষয় পরিষ্কার করার চেষ্টা থাকবে এখানে। অর্থাৎ বিজ্ঞানের সাথে পরিচিত হওয়া এই ব্লগের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

আমাদের প্রাত্যাহিক জীবন সম্পূর্ণভাবে বিজ্ঞান দ্বারা প্রভাবিত হলেও আমরা সাধারণ জনগণ বিজ্ঞানকে ঠিক চিনি না। শুধুমাত্র প্রযুক্তিগুলোকে আমরা বিজ্ঞান বলে থাকি। এই অজ্ঞতার কারণ খুব সহজ। আমাদের সমাজে বিজ্ঞানকে পরিচিত করানোর মত পরিবেশও তেমন নেই। শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতাও এর আরেকটি কারণ। আমাদের জীবনের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় দুমুঠো অন্নের সংস্থান করতে। এই অবস্থায় কোন নতুন কিছু চিন্তা করার অবকাশ কোথায়?

বিজ্ঞান বলতে আমাদের দেশে সাধারণত প্রযুক্তিকে বোঝানো হয়। বিভিন্ন কাজের বা বিনোদনের যন্ত্রপাতি ব্যবহারে সক্ষমতাকে বিজ্ঞানে পারদর্শীতা বলে মনে করা হয়। আবার কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিকে আমরা বিজ্ঞানের অবদান বলে সচেতনভাবে মনে করি না। যেমন: হাতুড়ি, হাঁড়ি, নৌকা, বড়শি, লাঙ্গল, দাড়িপাল্লা এমনকি ঘরের কুপিটিও যে বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফসল এবং বৈজ্ঞানিক নিয়মের অধীনতা স্বীকার করেই কার্যকরী থাকে আমরা অনেকে কখনও তা ভেবে দেখিনি।
আবার বিজ্ঞান শিক্ষাকে আত্মস্থ করার জন্যও লাগে মুক্ত পরিবেশ। শিক্ষার অন্যতম উপাদান হল প্রশ্ন। সেই প্রশ্ন করতে পারার জন্য লাগে ভীতিহীন মুক্ত পরিবেশ। কিন্তু আমাদের ব্যর্থতা যে, আমরা তেমন পরিবেশ নতুন প্রজন্মের সামনে উপস্থাপন করতে পারিনি।
শুধুমাত্র স্বল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত বলে পরিচিতরা পশ্চাৎপদ আচরণ করে তা নয়। শিক্ষিত বলে পরিচিত সুধীজনরাও এর ব্যতিক্রম নন। প্রচলিত শিক্ষাক্রম এর কিছুটা দায়ভার অস্বীকার করতে পারে না। একজন মানবিক বিভাগের ছাত্র বিজ্ঞানের সাধারণ সূত্রগুলো সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে যায়। নৌকা কেন ভাসে, কূপি কেন জ্বলে, ভাত কিভাবে রান্না হয়, অক্সিজেন কি ইত্যাদি প্রাত্যাহিক জীবন সম্পর্কীয় ব্যাপারগুলো সম্পর্কে সুস্পষ্ট, অস্পষ্ট কোনরকমের ধারণা তাদের মধ্যে তৈরি হয় না। বিশ্ব সভ্যতায় গ্যালিলিও, ব্রুনো, হাইপেশিয়া, নিউটন, এডিসন প্রমুখের অবদান সম্পর্কে তারা অন্ধকারে থেকে যায়। বিপরীতে বিজ্ঞানে পড়ুয়াদের অবস্থা খুব একটা উন্নত নয়। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে বিজ্ঞানে যেহেতু পড়াশোনা করেছে সেহেতু বিজ্ঞানে তার আগ্রহ, দক্ষতা যথেষ্ট রয়েছে। কিন্তু বাস্তব অবস্থা তা নয়। বিজ্ঞানে পড়াশোনা করলেই যে বিজ্ঞান সচেতন হবে এমন ভাববার কোন কারণ নেই। বরং ক্ষেত্রবিশেষে বিজ্ঞানে পড়ুয়াদেরকে নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। সাহিত্য, ইতিহাস, রাজনীতি, দর্শন, সমাজতত্ত্ব, নন্দনতত্ত্ব ইত্যাদি বিষয় তাদের পাঠ্য (সিলেবাস) হিসেবে থাকে না বলে তাদের চিন্তাভাবনায় কখনও কখনও গভীরতার অভাব লক্ষ্য করা যায়। এক বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গী অর্জন করতে খুব কম সংখ্যক বিজ্ঞানের ছাত্র ক্ষেত্রে সফল হয়। এজন্য আমাদের দেশের বিজ্ঞানের ছাত্র, শিক্ষক, পণ্ডিত সমাজ মৌলিক আবিষ্কার তো দূরের কথা, কোন প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আজ পর্যন্ত সাধন করে দেখাতে পারেনি। (সীমিতপরিসরে যে দুয়েকটা হয়েছে তা এখানে উল্লেখ্য নয়)। এই দেশ কৃষিপ্রধান দেশ। অথচ কৃষিকাজের অত্যাবশকীয় যন্ত্র ড্রাম সিডার আমদানী করতে হয়েছে আর একটি ছোট দেশ ভিয়েতনাম থেকে। আসলে সমস্যা আমাদের শিক্ষাদর্শনে, সামাজিক পক্ষপাতিত্বে। আমরা কেন পড়ছি, কি পড়ছি এ সম্পর্কিত ধারণাগুলো আমাদের যথাযথ নয়। এর মধ্যে সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস প্রভৃতির জায়গা কতটুকু তা আমাদের নিজেদেরকেই খুঁজে নিতে হবে। বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসা দিয়ে বিশ্লেষণ করতে হবে আহৃত জ্ঞানকে। তাহলে যদি উন্মোচিত হয় বিজ্ঞানের স্বরূপ- এই আশাবাদ আমাদের অমূলক নয়- সন্ধিৎসু ব্লগের প্রস্তাবনা এই দৃষ্টিকোণ থেকে। তত্ত্বের বাহুল্য নয়, তথ্যের প্রাবল্য নয়; দুয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা থাকবে।

ব্লগ ভ্রমণকারী সকলকে শুভেচ্ছা।
Read More ...