Showing posts with label পরিবেশ. Show all posts
Showing posts with label পরিবেশ. Show all posts

Sunday, April 20, 2008

বাংলাদেশের ঝড়ের ইতিহাস ৩

১৯৬৩ (২৮-২৯ মে): চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কক্সবাজারসহ উপকূলবর্তী দ্বীপ কুতুবদিয়া, সন্দ্বীপ, হাতিয়া ও মহেশখালীতে আঘাত হানে। ১১ হাজার ৫২০ জনের মৃত্যু ঘটে।

১৯৬৫ (১১-১২ মে): বরিশাল ও বাকেরগঞ্জে ১৬ হাজার ৪৫৬ জনের মৃত্যু ঘটে।

১৯৬৪ (১৪-১৫ ডিসেম্বর): কক্সবাজার, পটুয়াখালী জেলাসহ সোনাদিয়া, রাঙ্গাদিয়া ও হামিদিয়া দ্বীপে আঘাত হানে। ৮৭৩ জনের মুত্যু ঘটে।

১৯৬৬ (১ অক্টোবর): সন্দ্বীপ, বাকেরগঞ্জ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় আঘাত হানে। ৮৫০ জনের মৃত্যু ঘটে।

১৯৬৯ (১৪ এপ্রিল): ঢাকা জেলার ডেমরায় টর্ণেডো আঘাত হানে। ৯২২ জন মারা যায়।

১৯৭০ (১২-১৩ নভেম্বর): বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বেশি প্রাণ ও সম্পদ বিনষ্টকারী ধ্বংসাত্মক ঘুর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। চট্টগ্রাম, বরগুনা, খেপুপাড়া, পটুয়াখালী, চর বোরহানউদ্দিন, চর তজিমুদ্দিন, মাইজদীর দক্ষিণাঞ্চল ও হরিণঘাটা এলাকায় ওই ঘুর্ণিঝড়ের আঘাতে ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

১৯৭১ (৫-৬ নভেম্বর): চট্টগ্রামের উপকূলবর্তী অঞ্চলে আঘাত হানে। মানুষ ও গবাদি পশুর ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে।

১৯৭৩ (৬-৯ ডিসেম্বর): সুন্দরবন ও পটুয়াখালীর নিম্নাঞ্চলে আঘাত হানে।

১৯৭৪ (১৩-১৫ আগস্ট): খুলনায় আঘাত হানে। ৬০০ জনের মৃত্যু ঘটে।

১৯৭৪(২৪-২৮ নভেম্বর): কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে। ২০০ জনের মৃত্যু ঘটে।

১৯৭৭ (৯-২২ মে): খুলনা, নোয়াখালী, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও উপকূলবর্তী দ্বীপগুলোয় আঘাত হানে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।

১৯৮৩ (১৪-১৫ অক্টোবর): উপকূলবর্তী দ্বীপগুলো এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।

১৯৯১ (২৫-২৯ এপ্রিল): সম্পদের আর্থিক ক্ষতির ছিল ৬,০০০ কোটি টাকা। মৃত্যু হয়েছিল ১,৫০,০০০ মানুষের। ৭০,০০০ গবাদি পশু এ ঝড়ে মারা যায়।

১৯৯৮ (১৯-২২ নভেম্বর): উপকূলবর্তী দ্বীপগুলো এবং খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর চরাঞ্চলে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসসহ ঘুর্ণিঝড় আঘাত হানে। রাস্তাঘাট ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে সঠিক হিসাব জানা যায়নি।

এছাড়া ১৫ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ানক ঝড় 'সিডর' দেশের ২২টি জেলায় আঘাত হানে। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরগুনা খুলনা, বরিশাল এবং দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে। এর মধ্যে ছিল ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, মংলা ও সাতক্ষীরা। ১৩১ বৎসরের মধ্যে সংঘটিত বড় ১০টি ঝড়ের মধ্যে সিডর ছিল সবচাইতে শক্তিশালী। ২ লাখ ৫০ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের ঘূর্ণিঝড়টি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ কিলোমিটার আয়তনের বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে গেছে। নাসা'র মতে এর সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ২৬০-২৮০ কিলোমিটার। সাফিন সিম্পসন স্কেল অনুযায়ী নাসা সিডরকে ৪ নম্বর ক্যাটাগরির ঝড় বলে চিহ্নিত করেছে। সিডরের ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২.৩ বিলিয়ন ডলার বা ১৬,১০০ কোটি টাকা। রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির মতে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার। আর সরকারের মতে, ২২৯৯ জন।
Read More ...

Saturday, April 19, 2008

বাংলাদেশের ঝড়ের ইতিহাস ২

১৯১৩: ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আঘাত হানে। ৫০০ জনের প্রাণহানি ঘটে।

১৯১৭: খুলনায় আঘাত হানে। ৪৩২ ব্যক্তি নিহত।

১৯৪২: সুন্দরবনে আঘাত হানে। বন্যপ্রাণী মারা যায় এবং বহু নৌযান ডুবে যায়।

১৯৪১: মেঘনা মোহনায় বহু মানুষ ও গবাদি পশুর প্রাণহানি ঘটে।

১৯৪৮: চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীতে এক হাজারেরও বেশি প্রাণহানি ঘটে।

১৯৫৮ (২১-২৪ অক্টোবর): চট্টগ্রামের সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল, লক্ষাধিক পরিবার গৃহহীন হয় এবং মারা যায় অনেকে।

১৯৬০ (৯-১০ অক্টোবর): নোয়াখালীর বাকেরগঞ্জ, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলায় আঘাত হানে। চরজব্বার, চরআমিনা, চরভাটা, রামগতি, হাতিয়া ও নোয়াখালরি প্রায় তিনহাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে।

১৯৬০ (৩০-৩১ অক্টোবর): চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বাকেরগঞ্জ, ফরিদপুর, পটুয়াখালী এবং মেঘনার মোহনার পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানে। ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে। সাড়ে পাচ লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়।

১৯৬১ (৯ মে): বাগেরহাট ও খুলনা সদরে আঘাত হানে। ১১ হাজার ৪৬৮ জনের মৃত্যু হয়।

১৯৬২ (২৬-৩০ অক্টোবর): ফেনীতে আঘাত হানে। এক হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে।
Read More ...

Wednesday, April 16, 2008

ধুলোর উপকার

সাধারণভাবে দেখা যায় যে ধুলো আমাদের বেশ ক্ষতি করে। শরীর, জামাকাপড়, ঘরবাড়ি নোংরা করে, সর্দি কাশির সূচনা ঘটায়। আর এ্যাজমা বা হাঁপানী রোগীর জন্য তো যমের মত। কিন্তু এতসব অমঙ্গলের কারণ ধুলো সবসময়ই যে খারাপ করে তা নয়। মাঝে মাঝে ধুলো কিছু উপকারও করে বৈকি।

ধুলো কিভাবে সৃষ্টি হয়?

প্রত্যেক বস্তু আসলে অসংখ্য কণার সমস্টি। কোন জড়বস্তু যখন ক্রমাগত ক্ষয় পেতে থাকে, তখন তার শরীর থেকে কণাগুলো খসে খসে পড়ে। এই কণাগুলো ছড়িয়ে পড়ে সবখানে। অল্প কিছু কণা হয়তো খালি চোখে চট করে দেখা যায় না। কিন্তু অনেকগুলো কণা একখানে যখন জমে যায় তখন তাকে আমরা ধুলো বলে খুব সহজে চিহ্নিত করতে পারি। এই বস্তুর গুড়োগুলো বাতাসে ভর করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সহজে চলে যেতে পারে। অল্প পরিমাণ ধুলো একেবারে দেখা যায়না কথাটি সবক্ষেত্রে সঠিক নয়। বিকেলবেলা যখন জানালা দিয়ে তির্যকভাবে ঘরের ভেতর এসে পড়ে তখন বিছানা একটু ঝাড়লে অসংখ্য ধুলোকণাকে বাতাসে উড়ে বেড়াতে দেখা যায়।

কোন জিনিস পোড়ালেও ধুলো উৎপন্ন হতে পারে। তার যে ধোঁয়া সেটাও এক রকমের ধুলো। নদীর চর বা মরুভূমি থেকেও প্রচুর পরিমাণ ধুলো আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

ধুলোর উপকার: আমরা জানি বৃষ্টি হয় মেঘ থেকে। এই মেঘ তৈরি হয় বাষ্প থেকে। পৃথিবীর জলাশয়গুলো যেমন নদী, পুকুর, সাগর ইত্যাদি থেকে সূর্যের আলোর তাপে বাষ্প তৈরি হয়। এই বাষ্প উড়ে আকাশে গিয়ে তৈরি হয় মেঘ। বাতাসে ধুলোর পরিমাণ কম হলে তেমন ভালোভাবে মেঘ তৈরি হবে না। আর মেঘ ভালোভাবে তৈরি না হলে সময়মতো বৃষ্টিও হবে না।

শীতকালে সকালবেলা চারপাশ কুয়াশায় ঢেকে যায়। এই কুয়াশা তৈরি হয় বাষ্প এবং ধুলোর মিশ্রণে।

ধুলো যদি না থাকতো তাহলে আমাদের পৃথিবীতে ঝপ করে রাত্রি নেমে আসতো। কিংবা হঠাৎ করে সকাল হয়ে যেত। সন্ধ্যা বা ভোর বলে কোনকিছু তখন থাকতো না। ধুলোতে সূর্যের রশ্মি বিকিরিত হয়ে চারপাশে ঠিকরে পড়ে। এই জন্য সকালবেলা যখন সূর্য উদয় হয় তখন তার আলো আগেই আকাশের ধুলোর গায়ে পড়ে। এই আলোতে চারপাশ আবছাভাবে আলোকিত হয়ে যায়। আবার সন্ধ্যাবেলাতেও একই ব্যাপার। সূর্য যখন ডুবে যায় তখন তার আলো ধুলোতে বিকিরিত হয়ে আরও কিছুক্ষণ চারপাশকে আলোকিত করে রাখে। এই জন্য সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকার নেমে আসে না।

এই বিশেষ ঘটনাগুলোর কারণে বলা যায় ধুলো সবসময়ই অপকারী নয়।

Read More ...

Saturday, March 22, 2008

আজ বিশ্ব জল দিবস

আজ বিশ্ব জল দিবস। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রত্যেক ৬ জনের মধ্যে মাত্র একজন নিরাপদ জলের সুবিধা পায়। নারী ও শিশুরা ২০০ মিলিয়ন ঘন্টা প্রতিদিন জলের খোঁজে ব্যয় করে। জল বিষয়ে কিছু তথ্য নিচে প্রদান করা হল:-
  • প্রত্যেক ১৫ সেকেন্ডে একজন শিশু জলবাহিত রোগে মারা যায়।
  • ১ বিলিয়নের বেশি মানুষ বিশুদ্ধ জলের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
  • ৮৮% রোগ দূষিত জল থেকে হয়।
  • বিশ্বের সব হাসপাতালের মোট বিছানার অর্ধেকে জলবাহিত রোগী আছে।
  • উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সুপেয় জল সরবরাহ করার জন্য নেয়া প্রকল্পসমূহের ৫০% ব্যর্থ হয়ে গেছে।
  • আগামী ২ দশকে প্রত্যেক মানুষের জন্য সরবরাহ করা জলের পরিমাণ ৩ ভাগের মত কমে যাবে।
বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে দূষিত জরের কারণে। শহরাঞ্চলে বিশুদ্ধ জলের সমস্যা প্রকট।
Read More ...