
আজ বিশ্ব এ্যাজমা দিবস। এ্যাজমা সম্পর্কে সারাবিশ্বে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই দিনটির প্রস্তাবনা। বিভিন্ন প্রভাবকের কারণে শ্বাসযন্ত্রের মধ্যে লালার(Mucus) পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ফলে শ্বাসনালীর ভিতরের আয়তন সংকুচিত হয়ে যায়। এতে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা হয়। রোগী হাঁসফাঁস করে শ্বাস নিতে থাকে। একেই এ্যাজমা বলে। বিশ্বের আবহাওয়ামণ্ডলে যেরকম পরিবর্তন হচ্ছে তাতে বিজ্ঞানীরা আশংকা করছেন আগামী দিনে সারা পৃথিবীতেই এ্যাজমা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাবে। তাপমাত্রার বৃদ্ধি এবং পরিবেশ দূষণ এর অন্যতম কারণ।
বিশ্বের এ্যাজমা রোগীদের মধ্যে প্রত্যেক ২৫০ জনে মারা যায় ১ জন। বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি মানুষ এ্যাজমারোগে আক্রান্ত। এবারের এ্যাজমা দিবসের শ্লোগান হল 'আপনার এ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন আপনিই'। আসলেই তাই। নিজেই যদি একটু সচেতন থাকা যায় তাহলে এ্যাজমার আক্রমণ থেকে অনেকটা রক্ষা পাওয়া যায়।
১৯৯৮ সালে স্পেনের বার্সেলোনায় প্রথম এ্যাজমা রোগ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং সেই সঙ্গে ওই বছরই ৩৫টিরও বেশি দেশে প্রথম বিশ্ব এ্যাজমা দিবস উদযাপিতহয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ ফর এ্যাজমা (GINA) এর যৌথ উদ্যোগে দিনটি পালিত হয়। (GINA) হল ন্যাশনাল হার্ট, লাঙ এবং ব্লাড ইনস্টিটিউটের সমন্বিত সহযোগিতায় গঠিত একটি প্রকল্প।
0 টি মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার প্রাসঙ্গিক মন্তব্য, ভাবনা, ভিন্নমত প্রকাশ করুন। প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে না চাইলে ইমেইল করুন।